8U9: বিশ্বকাপের চার সেরা দল চূড়ান্ত! ঠিকই ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ৪—কে তুলবে
[বিশেষজ্ঞ রবি ৮৭ লাখ পুরস্কার জিতেছেন! চাংফেং টুই প্রো ১০ ধারা জয়, ৭৯ লাখও জিতেছেন!][অ্যাপ ডাউনলোড করে বিশ্বকাপ চেক-ইনে মোবাইল জিতুন]

বেইজিং সময় ১২ জুলাই সকালে ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল সব শেষ। আর্জেন্টিনা ৩-১-এ ‘ক্রুসেডার’ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সপ্তমবার সেমিফাইনালে উঠেছে।
এতে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত চার সেরা দল নিশ্চিত—তিন ইউরোপীয় জায়ান্ট ও একটি দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল: ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা যথাক্রমে ২-০, ২-১, ২-১ ও ৩-১-এ মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়েছে।
এ চার দলের ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিং যথাক্রমে ৩, ২, ৪ ও ১—ঠিকই বিশ্বের শীর্ষ ৪।

তাহলে কে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলবে?
চার কোয়ার্টার ফাইনাল দেখে ফ্রান্স জয় সবচেয়ে সহজ। র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বর মরক্কোকে ২-০-এ হারিয়েছে। কিলিয়ান এমবাপ্পের নিজে নেওয়া পেনাল্টি মরক্কো গোলরক্ষক বুনুর হাতে গেলে স্কোর সম্ভবত ৩-০ হত।
ফ্রান্স সাতবার সেমিফাইনালে, চারবার ফাইনালে পৌঁছেছে। বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্বে ৬ জয়, ১৬ গোল, মাত্র ২ গোল হজম—কোয়ার্টার ফাইনালে একমাত্র গোল হজমহীন দল। স্পষ্টতই সবচেয়ে বড় ফেভারিট।
স্পেন ও ইংল্যান্ড দুটোই ২-১-এ জিতেছে—বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর বেলজিয়াম ও ৩১ নম্বর নরওয়েকে। তবে পার্থক্য আছে: স্পেন নিয়মিত সময়েই জিতেছে; লুইস ড্রা ফুয়েন্তের দলে রুইস ও মেরিনো প্রথম ও দ্বিতীয়ার্ধে এক করে গোল করেন।
এটি স্পেনের তৃতীয় সেমিফাইনাল—১৯৫০-এ চতুর্থ, ২০১০-এ চ্যাম্পিয়ন; সেমিফাইনালে জার্মানিকে ১-০, ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে ১-০-এ হারিয়েছিল।
ইংল্যান্ড কষ্টে জিতেছে—নিয়মিত সময় ১-১, অতিরিক্ত সময়ে জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত খেলায় ২-১-এ নরওয়েকে হারিয়েছে।
রক্ষণাধীন চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা চার সেরা দলের মধ্যে একমাত্র দক্ষিণ আমেরিকার দল। কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১-এ সুইজারল্যান্ডকে হারিয়েছে।
ম্যাচ ১২০ মিনিট চলেছে। ১০তম মিনিটে মেসি ম্যাক অ্যালিস্টারকে অ্যাসিস্টে প্রথম গোল; ৬৭তম মিনিটে সুইজারল্যান্ডের এন্দোয়ে সমতা—নিয়মিত সময় ১-১। এনবোলো দুই হলুদে লাল, ৭৩তম মিনিট থেকে সুইজারল্যান্ড দশ জনে; ১১২তম মিনিটে লোপেস আলভারেজকে অ্যাসিস্ট, ১২১তম মিনিটে লাউতারো তৃতীয় গোল। অতিরিক্ত সময়ে চার হলুদ দিয়ে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়।
স্কালোনির দল সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার পঞ্চম সেমিফাইনাল। ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২-এ চ্যাম্পিয়ন; ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪-এ রানার-আপ।
২০২৬ বিশ্বকাপের চার সেরা দল ১৯৯২ সালে ফিফা র্যাঙ্কিং চালু হওয়ার পর প্রথমবার বিশ্বের শীর্ষ ৪ দল দখল করেছে।
সেমিফাইনাল সূচি:
বেইজিং সময় ১৫ জুলাই ভোর ৩টায় ফ্রান্স (র্যাঙ্ক ৩) বনাম স্পেন (র্যাঙ্ক ২); ১৬ জুলাই ভোর ৩টায় ইংল্যান্ড (র্যাঙ্ক ৪) বনাম আর্জেন্টিনা (র্যাঙ্ক ১)। কে ফাইনালে উঠবে?
ফ্রান্স বনাম স্পেন: সাম্প্রতিক ১২ মুখোমুখি স্পেন এগিয়ে—ফ্রান্স ৩ জয়, ১ ড্র, ৮ হার।
এর মধ্যে বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্বে মাত্র এক ম্যাচ—২০০৬ সালের ২৮ জুন রাউন্ড অব ১৬-এ ফ্রান্স ৩-১ স্পেন। ফ্রান্সের শেষ জয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর নেশনস লিগ ফাইনালে ২-১; আরেকটি ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১-০।
২০১২ সালের অক্টোবরে ১-১ ড্র ছাড়া অন্য সব আনুষ্ঠানিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্পেন জিতেছে—৩টি ২-০, ২টি ২-১, ২টি ১-০।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের জুন নেশনস লিগ এ-লিগ সেমিফাইনালে স্পেন ৫-৪ ফ্রান্স। ৫৫তম মিনিটে স্পেন ৪-০ এগিয়ে; ৫৯তম মিনিটে ফ্রান্স ১-৪ করতে পারে। প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলসহ ৩৫ মিনিটে ফ্রান্স চার গোল ফিরিয়ে আনে।
ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনা: সাম্প্রতিক ৮ মুখোমুখি ইংল্যান্ড ৪ জয়, ২ ড্র, ২ হার—সামান্য এগিয়ে। তিনটি বন্ধুত্বপূর্ণ; সর্বশেষ ২০০৫ সালের নভেম্বরে ইংল্যান্ড ৩-২ আর্জেন্টিনা। বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে আরও দুটি ড্র—০-০ ও ২-২।
বাকি পাঁচটি বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্বে: ১৯৬২ গ্রুপে ইংল্যান্ড ৩-১; ১৯৬৬ কোয়ার্টার ফাইনালে ১-০; ১৯৮৬ কোয়ার্টার ফাইনালে ১-২; ১৯৯৮ কোয়ার্টার ফাইনালে ২-২ (পেনাল্টিতে ৩-৪); ২০০২ গ্রুপে ১-০।
সেমিফাইনাল সামনে—অতীত বিশ্বকাপ ‘অভিশাপ’ অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন ধরা যাচ্ছে।
- বিদেশি কোচ কখনো বিশ্বকাপ ট্রফি তুলেনি।
১৯৩০ সাল থেকে এই ‘শতবর্ষের সূত্র’ বজায়—শুধু স্থানীয় কোচের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে; এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি।
চার সেরা দলের মধ্যে বিদেশি কোচের দল শুধু ইংল্যান্ড (জার্মান তুখেল)।
স্থানীয় কোচ: ফ্রান্স (দিদিয়ে দেশঁ), স্পেন (লুইস-ড্রা ফুয়েন্তে), আর্জেন্টিনা (স্কালোনি—আর্জেন্টিনা/ইতালি দ্বৈত নাগরিকত্ব)।
- বিশ্বকাপ ট্রফি পুনরায় রক্ষা করা যায়নি।
পুরনো ট্রফির যুগে ইতালি ১৯৩৪ ও ১৯৩৮, ব্রাজিল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ ধারাবাহিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
১৯৭৪ সাল থেকে নতুন ট্রফি চালু—তারপর কেউ পুনরায় রক্ষা করেনি।
চ্যাম্পিয়ন: ১৯৭৪ পশ্চিম জার্মানি, ১৯৭৮ আর্জেন্টিনা, ১৯৮২ ইতালি, ১৯৮৬ আর্জেন্টিনা, ১৯৯০ পশ্চিম জার্মানি, ১৯৯৪ ব্রাজিল, ১৯৯৮ ফ্রান্স, ২০০২ ব্রাজিল, ২০০৬ ইতালি, ২০১০ স্পেন, ২০১৪ জার্মানি, ২০১৮ ফ্রান্স, ২০২২ আর্জেন্টিনা।
- গ্রুপ পর্বে ৩ জয় ৩ হারহীন দল চ্যাম্পিয়ন হওয়া কঠিন (২০০২ থেকে)।
২০০২-এ ব্রাজিল গ্রুপে ৩ জয়—২-১ তুরস্ক, ৪-০ চীন, ৫-২ কোস্টা রিকা—তারপর চ্যাম্পিয়ন। এরপর সব চ্যাম্পিয়ন গ্রুপে পয়েন্ট হারিয়েছে।
২০০৬ ইতালি, ২০১০ স্পেন, ২০১৪ জার্মানি, ২০১৮ ফ্রান্স—গ্রুপে ২ জয় ১ ড্র; ২০২২ আর্জেন্টিনা ২ জয় ১ হার।
এবার গ্রুপে ৩ জয়: মেক্সিকো, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা। হোস্ট মেক্সিকো আগেই বিদায়; ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা চার সেরা দলে। স্পেন ও ইংল্যান্ড গ্রুপে ২ জয় ১ ড্র।
চার দলের চ্যাম্পিয়নশিপ: আর্জেন্টিনা ৩ (১৯৭৮, ১৯৮৬, ২০২২), ফ্রান্স ২ (১৯৯৮, ২০১৮), ইংল্যান্ড ১ (১৯৬৬), স্পেন ১ (২০১০)।
শতবর্ষের অভিশাপ ভাঙবে কি না—সব নজর ফ্রান্সের ওপর। চ্যাম্পিয়ন কে? নাকি ‘অভিশাপ’ বজায় থাকবে!
(আল্টম্যান)
[বিশেষজ্ঞ রবি ৮৭ লাখ পুরস্কার জিতেছেন! চাংফেং টুই প্রো ১০ ধারা জয়, ৭৯ লাখও জিতেছেন!][অ্যাপ ডাউনলোড করে বিশ্বকাপ চেক-ইনে মোবাইল জিতুন]
পরবর্তী নিবন্ধ: 8U9: আগেই তিন সেট ব্যবহার হয়েছে, নরিস চালু করছেন চতুর্থ ব্যাটারি—বেলজিয়াম স্টেজে
বাংলা তথ্য[0]
বাংলা তথ্য[0]